মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল ফিচার-০৩

(১) পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ স্লাইডে শেপ যুক্ত করা এবং ফরমেট করা:

দুটি পদ্ধতিতে আমরা একটি স্লাইডে শেপ যুক্ত করতে পারি। প্রথমটি হলো পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর রিবনের Home tab এ Drawing section এ গিয়ে আমরা স্লাইডে শেপ যুক্ত করতে পারি। নিচের চিত্রটি দেখুন-

চিত্রে ১ নং স্থান থেকে শেপ সিলেক্ট করুন।১ নং চিত্রের ডান-নিচ কোনায় যে ডাউন এরো আছে সেটিতে ক্লিক করে আরো শেপ পাবেন।

চিত্রে ২ নং স্থানে arrange section থেকে একাধিক শেপের অর্ডার (উপর নিচ করা) ঠিক করা, একাধিক শেপকে গ্রুপ করা/আনগ্রুপ করা, শেপের পজিশন (এলাইনমেন্ট ঠিক করা) এবং রুটেশন (ঘুরানো) করার কাজ করতে পারেন।

চিত্রে ৩ নং চিহ্নিত স্থানে Quick style section থেকে আপনি শেপে চমৎকার সব স্টাইল দিতে পারেন।

চিত্রে ৪ নং চিহ্নিত স্থানটি শেপ ফরমেট করার গুরুত্বপূর্ন একটি সেকশান। এখানে যে ৩টি অপশন (Shape fill, shape outlines, shape effects) আছে প্রত্যেকটি অপশনে একবার গিয়ে দেখুন কোন জিনিষটা নেই।

দ্বিতীয় পদ্ধতিতে পাওয়ার পয়েন্ট ২০১০ রিবনের Insert tab এর শেপ সেকশনে গিয়ে যেকোন শেপ সিলেক্ট করে স্লাইডে ড্র্যাগ করে শেপ আঁকতে পারেন। এছাড়া এখান থেকে আপনি যে কোন ছবি, ক্লিপ-আর্ট, স্মার্ট আট, চার্ট আপনার স্লাইডে যুক্ত করতে পারেন।

চমৎকার একটি ফিচার এখানে আছে। তাহলো ডেস্কটপের যে স্ক্রিন আপনি সরাসরি স্লাইডে যুক্ত করতে পারেন। এর জন্য Insert tab এ গিয়ে Screenshot এ ক্লিক করলে যে িবক্স ওপেন হবে সেখান থেকে Screen clipping এ ক্লিক করুন। এরপর যে স্ক্রিন নেবেন ড্র্যাগ করে দেখুন সিলেক্ট করা অংশ সরাসরি পাওয়ারপয়েন্ট িএর স্লাইডে এসে গেছে। এরপর ফরমেট করুন।চিত্রটি দেখুন-

(২) শেপ এর মধ্যে টেক্সট যুক্ত করা:

পাওয়ারপয়েন্ট এ শেপকে টেক্সট হোল্ডার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। যে কোন শেপ এ টেক্সট যুক্ত করা যায়। আপনি উপরে বর্নিত নিয়ম অনুসারে যে কোন একটি শেপ স্লাইডে যুক্ত করুন। এরপর শেপটি সিলেক্ট করা অবস্থায় আপনি লিখতে শুরু করুন। এরপর হোম ট্যাব থেকে প্যারাগ্রাফ সেকশানে দেখুন Text direction, Align text, Convert to smart Arts এই তিনটি অপশন আছে। আপনার পছন্দমত ফরমেটিং প্রয়োগ করুন।শেপটিকে স্মার্ট আর্টেও পরিনত করতে পারেন। চিত্রটি দেখুন-

২য় চিত্রটি স্মার্ট আর্ট দিয়ে করা। এভাবে শেপগুলোকে এঁকে পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের ট্রানজিশন ও এনিমেশন দিতে পারেন।

(৩) স্লাইডে টেক্সট বক্স যুক্ত করা:

Inset tab এবং Home tab এর Drawing section থেকে স্লাইডে টেক্সট বক্স যুক্ত করতে পারেন। টেক্সট বক্স এ টেক্সট যুক্ত করে রুটেশান দিয়ে, এনিমেশান দিয়ে স্লাইডটিকে দৃষ্টিনন্দন করতে পারেন।

এবার একনজরে কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করি-

* শেপ আঁকার পর এটিকে সিলেক্ট করলে অতিরিক্ত একটি ট্যাব রিবনে দেখতে পাবেন। Format tab নামে েএই ট্যাব থেকে আপনি সকল ফরমেটিং করতে পারেন।

* স্লাইডে স্মার্ট আর্ট যুক্ত করে স্মার্ট আর্ট সিলেক্ট করলে Design tab নামে অতিরিক্ত একটি ট্যাব পাবেন যা দিয়ে স্মার্ট আর্ট ফরমেট করতে পারবেন।

* স্লাইডে ইমেজ যুক্ত করার পর ফরমেটিং ট্যাব দিয়ে ইমেজের কালার কারেকশান, ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করার ফিচার পাবেন।

সবশেষে একটি কথা বলছি, পাওয়ারপয়েন্ট একটি ডিজাইন সফটওয়্যার, এটি দিয়ে আমরা প্রেজেনটেশান তৈরি করে থাকি। পথ পরিক্রমায় আমাদেরকে স্লাইড ডিজাইন করতে হয়, ট্রানজিশান ও এনিমেশান দিতে হয়। যে কোন ডিজাইন সফটও্য়্যার এর টুলগুলোর ব্যবহার শিখা কঠিন নয়। কিন্তু ডিজাইনের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিভিটি আপনার সৃষ্টি করতে হবে। এটি আপনার সম্পদ। ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার হোন। হয়ত সব আলোচনা করতে পারিনি, কারন সময়, লেখার ধৈর্য্য এবং অন্যান্য কাজ। অনুশীলন করতে গিয়ে কোন সমস্যায় পড়লে নিচে মন্তব্য করবেন। আমি সব উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।

মাল্টিমিডিয়া বলতে আমরা ‍বুঝি গানের ঝংকার তা অডিও কিংবা ভিডিও। আমাদের তৈরি করা প্রেজেনটেশানে যদি ভয়েস দিতে পারতাম অনেক ভালো হতো তাইনা? প্রেজেনটেশানে যা থাকবে তা যদি ধারাভাষ্য হিসেবে শুনা যেত তাহলে অনেক চমৎকার হত। আজ আলোচনা করবো কিভাবে পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর স্লাইডে অডিও ও ভিডিও ফাইল যুক্ত করে প্রেজেনটেশানকে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেনটেশানে রুপ দেওয়া যায়। তাহলে আর দেরী না করে শুরু করি।

স্লাইডে অডিও ফাইল যুক্ত করন ও এর বিভিন্ন ফরমেটিং ঃ

পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এর রিবন থেকে Insert tab এ ক্লিক করুন। রিবনের একবারে ডানপাশে দেখুন অডিও আইকন রয়েছে। অডিও আইকন এর নিচে নিম্নমূখী কালো যে এরো চিহ্নটি আছে তাতে ক্লিক করুন। মেনু ওপেন হলে এখান থেকে Audio from file এ ক্লিক করুন। Insert dialogue box ওপেন হবে। এরপর আপনার পিসি’র যেখানে অডিও ফাইলটি রয়েছে সেখানে গিয়ে ফাইলটি সিলেক্ট করে Insert এ ক্লিক করুন। অডিও ফাইলটি স্লাইডে চলে আসবে।সহায়তার জন্য নিচের ছবিটি দেখুন-

অডিও ফাইলটি স্লাইডে যুক্ত হলে আপনি যে অবস্থা দেখতে পাবেন তা হলো অডিওটি প্লে করার একটি স্লাইডার থাকবে আর স্লাইডারটির উপরে একটি স্পীকার দেখতে পাবেন। স্পীকারটিকে ক্লিক করে সিলেক্ট করে আপনি এর স্থান পরিবর্তন করতে পারেন। এই অবস্থায় যদি Shift+F5 চেপে আপনি স্লাইডটির প্রিভিউ দেখতে চান তাহলে প্রেজেনটেশানেও স্পীকারটি দেখতে পাবেন। এবার স্পীকারটিতে ক্লিক করলে আপনার অডিও ফাইলটি বাজতে শুরু করবে।পুনরায় স্পীকারটিতে ক্লিক করলে অডিওটি থামবে। চিত্রটি দেখুন-

তো কথা হলো আপনি চাচ্ছেন স্লাইডের প্রিভিউ চালু করলে অডিওটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাজবে আর স্লাইডটি পরিবর্তন হলে অডিও থামবে, প্রিভিউ তে অডিও আইকনটি দেখতে চাননা, অডিও ফাইলটির কিছু অংশ আপনি শুনতে চান। এই সেটিংস গুলো দিতে হলে আগে নিচের চিত্রটি দেখুন-

স্লাইডে থাকা অডিও আইকনটি যখন সিলেক্ট করবেন তখন রিবনে Audio Tools নামে একটি নতুন ট্যাব দেখতে পাবেন। এই ট্যাবে Play back নামক আরেকটি Sub-Tab দেখবেন। এই Sub-Tab এ ক্লিক করুন। এবার নিচের তালিকাটি আয়ত্ব করুন।

Hide during show: এটিতে টিক মার্ক বসিয়ে দিলে স্পীকার আইকনটি প্রিভিউ মুডে আর দেখবেননা।

Start: এর অধীনে ৩টি অপশান আছে। ্আপনি প্রিভিউ শুরু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অডিও চালু হবে িএটা চাইলে Automatically select করুন।

Volume: এই অংশ থেকে আপনি  পছন্দমত ভলিউম লেভেল সিলেক্ট করে দিতে পারেন। Low, medium, high, mute যেটি আপনি চান।

Fade duration: অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা শুনি কোন গান যখন শেষপ্রান্তে তখন আস্তে আস্তে সাউন্ড কমতে কমতে শেষ হয়।এটিই Fade out, ঠিক এর বিপরীত হলো Fade in. আপনি ইচ্ছে করলে এখানে সময় ঠিক করে দিতে পারেন।

Trim audio: আপনি যে অডিও ফাইলটি স্লাইডে যুক্ত করেছেন সেটি অনেক বড়। ্আপনি চাচ্ছেন এই ফাইলের কিছু অংশ শুনবেন। এক্ষেত্রে Trim audio তে ক্লিক করুন। ্এবার নিচের চিত্রটি দেখুন-

Trim audio এ ক্লিক করলে উপরের বক্সটি পাবেন। বামপাশের সবুজ স্লাইডার ও ডানপাশের লাল স্লাইডার ‍দুটিকে সঠিক স্থানে বসান অথবা Start time, End time এ সময় সেট করে ওকে করুন। কাজ শেষ। এবার প্রিভিউ মুডে শুনুন।

Loop until stopped: এখানে টিক চিহ্ন দিলে আপনার স্লাইডটি িযদি ৫ মিনিটের হয় আর অডিওটি যদি ২ মিনিটের হয় তাহলে অডিওটি পুনঃ পুনঃ বাজতে থাকবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

 

প্রেজেন্টেশানের প্রয়োজনে পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ এ আমরা আমাদের কম্পিউটার থেকে স্লাইডে ভিডিও যুক্ত করতে পারি। আর পাওয়ারপয়েন্ট ২০১০ আমাদেরকে এই সুযোগটি করে দিয়েছে যে অনলাইনের যে কোন ভিডিও ওয়েবসাইটে থাকা ভিডিওকেও আমরা স্লাইডে যুক্ত করতে পারব।

১) স্লাইডে ভিডিও যুক্ত করনঃ

প্রথমে Insert tab এ ক্লিক করুন।এরপর রিবনের ডানপাশে দেখুন Media section েএ video নামে একটি আইকন দেখবে। আইকনটির দুটি অংশ। যদি উপরের মুভি আইকনটিতে ক্লিক করুন তাহলে সরাসরি আপনি ভিডিও ফাইলটি সিলেক্ট করার স্থানে চলে যাবেন। আর যদি মুভি আইকনের নীচের ব্ল্যাক এরো বাটনে ক্লিক করে দেখবেন এখানে তিনটি অপশান দেয়া আছে। নিচের চিত্রটি একটু দেখুন-

এই  তিনটি অপশান থেকে প্রথমটি হলো কম্পিউটার থেকে ফাইল নেয়ার জন্য, ২য় টি হলো ওয়েবসাইটর ভিডিও যুক্ত করার জন্য আর ৩য় টি হলো ক্লিপ আর্ট ভিডিও যুক্ত করার জন্য।

ভিডিও প্লে করার অপশান, ট্রিম করার পদ্ধতি অডিও যেভাবে করা হয় তার অনুরুপ।

স্লাইডে ভিডিওটি ইনসার্ট করার পর ফাইলটি দেখা যাবে নিচের চিত্রের মতো-

এরপর প্রয়োজনীয় সেটিংস ঠিক করুন। Shift + F5 চাপুন এবং প্রিভিও দেখুন।

এছাড়া ভিডিও ফাইলটির ফ্রেমটিকে বিভিন্ন ডিজাইন দিতে পারেন। ভিডিওর কালার কারেকশান করতে পারেন। সম্পূর্ন কাজটি করতে পারেন নিচের চিত্র থেকে। চিত্রটি দেখুন-

ওয়েবসাইট থেকে স্লাইডে ভিডিও যুক্তকরনঃ

আমরা প্রত্যেকেই জানি, ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি ভিডিওর একটি URL থাকে িএবং ভিডিওগুলোর একটি Embedded code থাকে। Insert tab এ গিয়ে Video from website এ ক্লিক করলে একটি window আসবে। এই উইন্ডোটিতে embedded code টি paste করে দিলে ভিডিওটি সরাসরি স্লাইডে যুক্ত হবে। এক্ষেত্রে ভালো নেট কানেকশান থাকতে হবে।

এখন দেখি স্লাইডে ভিডিওর কোন কোন ফরমেট সাপোর্ট করে-

Adobe flash media (.swf), Window media file (.asf), Windows video file (.avi), Movie file (mpg or mpeg), Windows media video file (.wmv) এই ফাইলগুলো স্লাইডে সাপোর্ট করে।

স্লাইডে Transition এবং Animation এর ব্যবহার

আসুন দেখে নেই কিভাবে একটি স্লাইডে Transition ও Animation প্রয়োগ করা হয়।

Transition:

Transition শব্দের বাংলা অর্থ স্থানান্তর করা। মূলত transition apply করা হয় সম্পূর্ন স্লাইডে ও স্লাইডের বিভিন্ন কনটেন্টে। ইচ্ছে করলেই প্রতিটি স্লাইডে আলাদা আলাদা transition প্রয়োগ করা যায়। কিন্তু প্রেজেন্টেশানে খুব বেশি পরিমান transition প্রয়োগ সৌন্দয্য না বাড়িয়ে অনেক সময় অসুন্দর করে ফেলে প্রেজেনটেশানকে। নিচের চিত্রটি দেখুন, এরপর বিস্তারিত আলোচনাটি দেখুন-

>> যে স্লাইডে ট্রানজিশান প্রয়োগ করবেন সেটি সিলেক্ট করুন।

>> Transition tab এ ক্লিক করুন।

>> Transition to this slide এই অংশটি হলো ট্রানজিশান গ্যালারী। গ্যালারীর ডান কোনে নিচের এরো তে ক্লিক করুন এবং যে কোন একটি ট্রানজিশান এফেক্ট সিলেক্ট করুন।

>> একটি transition effect select করার পর গ্যালারীর ডান পাশে effect options এর আরও একটি সেটিংস আছে। এখানে ট্রানজিশান এফেক্টটির দিক পরিবর্তন/গতিপথ পরিবর্তন করার সুযোগ রয়েছে আমাদের জন্য।

>> এরপর apply to all এ ক্লিক করুন। আপনার সিলেক্ট করা ট্রানজিশান সবগুলোই স্লাইডে কার্যকর হয়ে যাবে।

>> Duration এ সময় সেট করুন। মনে রাখবেন, স্ক্রিনে যে সময় দেখছেন তা সেকেন্ড হিসেবে। সময় কম দিলে স্লা্ইডগুলোর ট্রানজিশান দ্রুত আর বেশি দিলে স্লো ভাবে হবে। সাধারনত ৩-৫ সেকেন্ড নির্ধারন করবেন।

>> Advanced slide অংশে on mouse click/After যে কোন একটি সিলেক্ট করে দিতে পারেন। on mouse click এ ক্লিক করলে প্রতিটি ট্রানজিশান এ যেতে মাউস দিয়ে ক্লিক করতে হবে অথবা কী-বোর্ড থেকে রাইট এরো কী চাপতে হবে। আর After এর চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে সময় সেট করে দিলে ঐ সময় পর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিটি ট্রানজিশান দৃশ্যমান হবে।

>> স্লাইডে ট্রানজিশান দেওয়া ও সবগুলো সেটিংস দেওয়া শেষ হলে উপরের চিত্রের বাম পাশে প্রিভিউ বাটনে ক্লিক করে দেখুন।

>> এছাড়া যখন স্লাইডের কোন কনটেন্ট এ ক্লিক করবেন তখন Format নামে আরেকটি ট্যাব ওপেন হবে। ফরমেট ট্যাবে টেক্সট, শেপ, ইমেজ সহ সবগুলো কনটেন্ট এর বিভিন্ন রকমের ফরমেটিং/কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন।

কাজ করতে করতে ফাইল সেভ করতে ভুলবেননা।

Animation:

Animation শব্দটির বাংলা অর্থ চৈতন্য, উদ্দীপন, প্রানবন্ততা। অর্থাৎ স্লাইডে animation effect প্রয়োগ করলে প্রেজেনটেশানটি প্রানবন্ত হয়। নিচের চিত্র দেখুন, সাথে বিস্তারিত আলোচনা দেখে শিখতে থাকুন।

Animation effect প্রয়োগ করবেন ঠিক transition effect এর মতই। Animation গ্যালারীর ডান পাশে add animation অংশ ব্যবহার করে এনিমেশনকে করতে পারবেন শৈল্পিক। এই অংশে প্রবেশ করুন। ডিফল্ট যেগুলো সেট করা আছে সেগুলো ছাড়াও নিচে আরও অনেক এনিমেশন আছে। এক এক করে দেখুন।

Animation pane এ ক্লিক করলে ডানপাশে একটি উইন্ডো আসবে। এই উইন্ডোতে প্রেজেনটেশানটির সকল এনিমেশনে এর তালিকা দেখতে পাবেন।

Reorder animation অংশে এনিমেশনগুলোকে একটি কনটেন্ট থেকে অণ্য কনটেন্ট এ স্থানান্তর করতে পারবেন।

Duration ও delay ট্রানজিশান এর মতই।

Add animation  থেকে আপনি কত শত এনিমেশান দিতে পারবেন আপনি জানেন কিনা জানিনা। এখানে প্রবেশ করুন আর দেখুন একবার।

 

Category:

ব্লগ

ফেইসবুকের সাহায্যে মন্তব্য দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

1 Comment

  • মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের ওপর অসাধারণ কার্যকরী টিউটোরিয়াল। আমাদের বাংলা টিউটোরিয়াল দেখার আমন্ত্রণ রইল।